ইসলামের পবিত্র ইবাদতগুলোর মধ্যে উমরাহ একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। যদিও এটি ফরজ নয়, তবুও উমরাহ পালন করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি সুন্নত আমল। প্রতি বছর বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান পবিত্র মক্কায় গিয়ে এই ইবাদত আদায় করেন। কিন্তু উমরাহর সঠিক নিয়ম, ধারাবাহিকতা এবং প্রতিটি ধাপে পড়ার দোয়া না জানলে এই মহামূল্যবান সফর পরিপূর্ণভাবে আদায় করা সম্ভব হয় না। এই আর্টিকেলে উমরাহ করার নিয়ম ও দোয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

উমরাহ কী এবং এর ফজিলত

উমরাহ আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো “আবাদ স্থান পরিদর্শন করা”। ইসলামি পরিভাষায় উমরাহ হলো নির্দিষ্ট নিয়মে ইহরাম বেঁধে কাবা শরিফ তাওয়াফ করা, সাফা-মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সায়ী করা এবং মাথার চুল মুণ্ডন বা ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে ইহরাম খোলার ইবাদত।

হজের মতো উমরাহও আল্লাহর ঘর কাবার উদ্দেশ্যে করা হয়। তবে হজে আরাফাতের ময়দানে অবস্থান ও কোরবানির মতো কিছু অতিরিক্ত আমল রয়েছে যা উমরাহতে নেই।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “এক উমরাহ থেকে আরেক উমরাহ, এই দুইয়ের মাঝখানে যা কিছু গুনাহ হয় তার কাফফারা হয়ে যায়। আর মাবরুর হজের পুরস্কার তো জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।” (বুখারি ও মুসলিম)

উমরাহর ফরজ কাজ

উমরাহতে মোট তিনটি ফরজ কাজ রয়েছে। এগুলোর যেকোনো একটি বাদ পড়লে উমরাহ সহিহ হবে না:

১. ইহরাম বাঁধা: নির্দিষ্ট মিকাত থেকে ইহরাম পরিধান করে নিয়ত করা।

২. তাওয়াফ করা: কাবা শরিফকে সাতবার প্রদক্ষিণ করা।

৩. সায়ী করা: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার যাওয়া-আসা করা।

উমরাহর ওয়াজিব কাজ

উমরাহর ওয়াজিব কাজ হলো একটি — হলক বা কসর , অর্থাৎ ইহরাম থেকে বের হওয়ার জন্য মাথার চুল মুণ্ডন করা বা ছাঁটাই করা। পুরুষের জন্য সম্পূর্ণ মুণ্ডন উত্তম, মহিলাদের জন্য আঙুলের এক কর পরিমাণ ছাঁটাই যথেষ্ট।

উমরাহ করার ধারাবাহিক নিয়ম

ওমরা করার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। আপনি যদি সঠিকভাবে ওমরাহ আদায় করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে এই নিয়মগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। নিচে ওমরা করার সঠিক নিয়ম বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো

মিকাত থেকে ইহরাম বাঁধা 

উমরাহর প্রথম কাজ হলো মিকাত থেকে ইহরাম বাঁধা। মিকাত হলো সেই নির্দিষ্ট সীমানা যার বাইরে থেকে হজ বা উমরাহর নিয়তে মক্কায় প্রবেশকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে ইহরাম পরিধান করে আসতে হয়।

  উমরাহ ভিসা করার সহজ উপায়

বাংলাদেশ থেকে যাত্রাকারীদের জন্য মিকাত: সাধারণত বিমানে মদিনা বা জেদ্দা হয়ে আসলে “যুলহুলাইফা” বা “কর্ণ আল-মানাযিল” মিকাত প্রযোজ্য হয়। বিমানে ঘোষণা দেওয়া হলে সেই সময়ই ইহরাম বেঁধে নেওয়া উচিত।

ইহরামের পোশাক:

  • পুরুষের জন্য: সেলাইবিহীন দুটি সাদা কাপড় — একটি কোমরে পেঁচানো (লুঙ্গির মতো) এবং একটি কাঁধে দেওয়া।
  • মহিলাদের জন্য: স্বাভাবিক শালীন পোশাক, তবে মুখ ও হাত ঢাকা যাবে না।

ইহরামের আগে করণীয়:

  • গোসল করা (সুন্নত)
  • নখ ও অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা
  • সুগন্ধি ব্যবহার করা (ইহরামের কাপড়ে নয়, শরীরে)
  • দুই রাকাত সালাত আদায় করা

ইহরামের নিয়ত ও দোয়া:

নিয়ত মনে মনে করলেই হয়, তবে মুখে বলা মুস্তাহাব:

اللَّهُمَّ إِنِّي أُرِيدُ الْعُمْرَةَ فَيَسِّرْهَا لِي وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি উরিদুল উমরাতা ফাইয়াস্সিরহা লি ওয়া তাকাব্বালহা মিন্নি।

অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি উমরাহর ইচ্ছা করছি, আপনি তা আমার জন্য সহজ করে দিন এবং আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন।”

এরপর তালবিয়া পড়া শুরু করতে হবে:

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ

উচ্চারণ: লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়ামাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।

অর্থ: “আমি হাজির হে আল্লাহ, আমি হাজির। আমি হাজির, আপনার কোনো অংশীদার নেই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা ও নেয়ামত আপনার এবং রাজত্ব আপনার, আপনার কোনো অংশীদার নেই।”

তালবিয়া পড়তে পড়তে মক্কার দিকে যাত্রা করতে হবে। পুরুষরা উঁচু স্বরে, মহিলারা নিম্নস্বরে তালবিয়া পড়বেন।

মসজিদুল হারামে প্রবেশ

মক্কায় পৌঁছানোর পর মসজিদুল হারামে প্রবেশ করার সময় ডান পা দিয়ে প্রবেশ করুন এবং দোয়া পড়ুন:

بِسْمِ اللَّهِ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসুলিল্লাহ, আল্লাহুম্মাফতাহ লি আবওয়াবা রাহমাতিক।

অর্থ: “আল্লাহর নামে এবং আল্লাহর রাসুলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন।”

কাবা শরিফ প্রথমবার দেখার সময় চোখ বন্ধ করে দোয়া না করে বরং কাবার দিকে তাকিয়ে মনের আকুতি নিয়ে দোয়া করুন — কেননা এই মুহূর্তে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

তাওয়াফ করা

তাওয়াফ হলো কাবা শরিফকে সাতবার প্রদক্ষিণ করা। প্রতিটি চক্কর হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) থেকে শুরু হয় এবং সেখানেই শেষ হয়। কাবাকে সবসময় বাম দিকে রেখে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে চলতে হবে।

তাওয়াফ শুরুর আগে:

  • অজু থাকতে হবে (তাওয়াফের জন্য অজু শর্ত)
  • পুরুষরা ইজতিবা করবেন (ডান কাঁধ বের করে রাখবেন)
  • হাজরে আসওয়াদ বরাবর এসে চুমু দেওয়ার চেষ্টা করুন, সম্ভব না হলে হাত দিয়ে ইশারা করুন
  ওমরাহ করার সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন

তাওয়াফ শুরুর দোয়া:

بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার।

রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝের দোয়া:

তাওয়াফের প্রতিটি চক্করে রুকনে ইয়ামানি (কাবার দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ) এবং হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে এই দোয়াটি পড়া সুন্নত:

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া কিনা আযাবান নার।

অর্থ: “হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন এবং আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।”

তাওয়াফের বাকি অংশে কোনো নির্দিষ্ট দোয়া নেই। আপনি যেকোনো দোয়া, যিকর বা কোরআন তিলাওয়াত করতে পারেন।

মাকামে ইব্রাহিমে দুই রাকাত সালাত

সাত চক্কর তাওয়াফ শেষ হলে মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে দুই রাকাত সালাত আদায় করতে হবে। যদি ভিড় বেশি থাকে তাহলে মসজিদের যেকোনো স্থানে পড়তে পারবেন।

প্রথম রাকাতে সুরা ফাতেহার পর সুরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ইখলাস পড়া মুস্তাহাব।

সালাত শেষে জমজমের পানি পান করুন এবং এই দোয়া পড়ুন:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا وَاسِعًا وَشِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিআঁও ওয়া রিজকান ওয়াসিআঁও ওয়া শিফাআম মিন কুল্লি দা-ইন।

অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, প্রশস্ত রিজিক এবং সকল রোগ থেকে আরোগ্য চাই।”

সাফা পাহাড়ে যাওয়া ও সায়ী শুরু

তাওয়াফের পর সাফা পাহাড়ের দিকে রওনা হতে হবে। সাফা পাহাড়ের কাছে পৌঁছালে এই আয়াতটি পড়ুন:

إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ

উচ্চারণ: ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন শাআইরিল্লাহ।

অর্থ: “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।”

এরপর সাফায় উঠে কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়ান এবং তিনবার তাকবির দিন ও দোয়া পড়ুন:

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

এই দোয়া সাফায় তিনবার পড়ুন এবং প্রতিবারের মাঝে নিজের জন্য দোয়া করুন।

সায়ী সম্পন্ন করা

সাফা থেকে মারওয়া যাওয়া এক চক্কর, আবার মারওয়া থেকে সাফা ফেরা আরেক চক্কর — এভাবে মোট সাতটি চক্কর দিতে হবে। প্রথম চক্কর শুরু হয় সাফা থেকে এবং সপ্তম চক্কর শেষ হয় মারওয়ায়।

সবুজ বাতির মাঝের অংশে পুরুষরা দ্রুত হাঁটবেন (রামল করবেন)। মহিলারা স্বাভাবিক গতিতে হাঁটবেন।

  Tips for Umrah visa from Bangladesh | Umrah guide

সায়ীর সময় কোনো নির্দিষ্ট দোয়া নেই — যেকোনো দোয়া, যিকর ও ইস্তিগফার পড়া যায়। তবে প্রতিটি পাহাড়ে উঠে কাবার দিকে মুখ করে উপরে উল্লিখিত দোয়াটি পড়া সুন্নত।

হলক বা কসর (চুল কাটা)

সায়ী সম্পন্ন হওয়ার পর ইহরাম থেকে বের হওয়ার জন্য চুল কাটতে হবে।

  • পুরুষের জন্য: সম্পূর্ণ মাথা মুণ্ডন করা (হলক) উত্তম, তবে পুরো মাথার চুল ছাঁটাই (কসর) করলেও চলবে।
  • মহিলাদের জন্য: আঙুলের একটি কর পরিমাণ চুলের আগা ছাঁটাই করলেই যথেষ্ট।

চুল কাটার পর ইহরাম খুলে ফেলুন এবং স্বাভাবিক পোশাক পরুন। এর মাধ্যমে উমরাহ সম্পন্ন হয়ে গেল।

উমরাহর সময় যা করা নিষিদ্ধ (ইহরামের মধ্যে)

ইহরাম অবস্থায় কিছু কাজ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এগুলো থেকে বিরত থাকা আবশ্যক:

  • সেলাই করা পোশাক পরা (পুরুষের জন্য)
  • মাথা ঢাকা (পুরুষের জন্য), মুখ ঢাকা (মহিলার জন্য)
  • সুগন্ধি ব্যবহার করা
  • নখ কাটা বা চুল কাটা
  • শিকার করা বা কোনো প্রাণী হত্যা করা
  • যৌনসম্পর্ক বা এ সংক্রান্ত কথাবার্তা
  • ঝগড়া বা অশ্লীল কথাবার্তা বলা
  • গাছের পাতা বা ডাল ছেঁড়া

উমরাহ পরবর্তী কিছু আমল

উমরাহ শেষ হওয়ার পর মসজিদুল হারামে বেশি বেশি নামাজ পড়ার চেষ্টা করুন। এক ওয়াক্ত নামাজের সওয়াব এক লক্ষ ওয়াক্তের সমান বলে হাদিসে উল্লেখ আছে। এছাড়া:

  • রওজা মোবারক জিয়ারত: মদিনায় গেলে মসজিদে নববিতে রাসুল (সাঃ)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করুন।
  • বেশি বেশি দোয়া করুন: কাবার সামনে, জমজমের পানি পানের সময় এবং মাতাফে দাঁড়িয়ে মনের সব আকুতি আল্লাহর কাছে পেশ করুন।
  • তওবা করুন: জীবনের সকল গুনাহ থেকে খাঁটি তওবা করুন।
  • কোরআন তিলাওয়াত করুন: মসজিদুল হারামে বসে কোরআন তিলাওয়াতের সওয়াব অতুলনীয়।

উমরাহতে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি

আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি: উমরাহতে যাওয়ার আগে সকলের কাছে মাফ চেয়ে নিন, সকল ঋণ পরিশোধ করুন বা ঋণদাতাকে জানিয়ে যান, এবং হালাল উপার্জনে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।

শারীরিক প্রস্তুতি: প্রচুর হাঁটাহাঁটির মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিন। মক্কায় গরম আবহাওয়া থাকে, তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করুন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পাসপোর্ট, উমরাহ ভিসা, টিকিট, হোটেল বুকিং এবং মেনিনজাইটিস টিকার সনদ সাথে রাখুন।

সংক্ষেপে উমরাহর ধাপসমূহ

ধাপ কাজ বিশেষ নির্দেশনা
ইহরাম বাঁধা মিকাত থেকে, তালবিয়া পাঠ শুরু
মসজিদুল হারামে প্রবেশ ডান পা আগে, দোয়া পড়া
তাওয়াফ ৭ চক্কর, অজু সহ
মাকামে ইব্রাহিমে নামাজ ২ রাকাত
জমজমের পানি পান দোয়া সহ
সায়ী সাফা থেকে মারওয়া, ৭ চক্কর
হলক বা কসর চুল মুণ্ডন বা ছাঁটাই

উপসংহার

উমরাহ হলো আল্লাহর ঘরের একটি পবিত্র সফর, যা একজন মুমিনের জীবনে অসাধারণ আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আনতে পারে। সঠিক নিয়ম মেনে, খাঁটি নিয়তে এবং একনিষ্ঠ হৃদয়ে উমরাহ আদায় করলে আল্লাহ তা কবুল করেন এবং গুনাহ মাফ করে দেন বলে হাদিসে প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

উমরাহতে যাওয়ার আগে উমরাহর নিয়ম ও দোয়াগুলো ভালোভাবে শিখে নিন, বিশ্বস্ত কোনো আলেম বা হজ গাইড থেকে প্রশিক্ষণ নিন এবং মনে রাখুন — এই সফরের প্রতিটি মুহূর্ত অমূল্য। আল্লাহ আমাদের সবাইকে উমরাহ ও হজ পালনের তওফিক দান করুন। আমিন।